<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
<title>Department of Islamic History &amp; Culture</title>
<link href="http://rulrepository.ru.ac.bd/handle/123456789/43" rel="alternate"/>
<subtitle/>
<id>http://rulrepository.ru.ac.bd/handle/123456789/43</id>
<updated>2026-04-07T21:47:05Z</updated>
<dc:date>2026-04-07T21:47:05Z</dc:date>
<entry>
<title>মোগল আমলে প্রাসাদ রাজনীতি (১৫২৬-১৭০৭ খ্রীঃ)</title>
<link href="http://rulrepository.ru.ac.bd/handle/123456789/1134" rel="alternate"/>
<author>
<name>রশিদ, মোঃ মামুনুর</name>
</author>
<id>http://rulrepository.ru.ac.bd/handle/123456789/1134</id>
<updated>2024-12-22T09:32:33Z</updated>
<published>2011-12-12T00:00:00Z</published>
<summary type="text">মোগল আমলে প্রাসাদ রাজনীতি (১৫২৬-১৭০৭ খ্রীঃ)
রশিদ, মোঃ মামুনুর
ভারতবর্ষে মোগলদের প্রায় তিনশত বছরের সাশনকাল নানা কারণেই বিশ্বের ইতিহাসে স্বরণীয় হয়ে আছে। রাজ্য জয়, সাম্রাজ্যের সংহতি বিধান, কেন্দ্র নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট্র সমন্বয়, আড়ম্বরপূর্ণ দরবার, সূষ্ঠু প্রসাশন ব্যবস্থা পরিচালনা, জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চা, স্থাপত্য-শিল্প কলার চর্চা প্রভিতি বিষয়ে মোগলদের উল্লেখযোগ্য অবদান পরিলক্ষিত হয়। তবে তাঁদের এ দীর্ঘ সাশনকার্য পরিচালনায় প্রাসাদ রাজনীতি ছিল একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য অধ্যায়…
This Thesis is Submitted to the Department of Islamic History &amp; Culture, University of Rajshahi, Rajshahi, Bangladesh for The Degree of Doctor of Philosophy (PhD)
</summary>
<dc:date>2011-12-12T00:00:00Z</dc:date>
</entry>
<entry>
<title>Intellectual Activties in Spain and Egypt under the Muslim Rule, 711-1517 A.D.</title>
<link href="http://rulrepository.ru.ac.bd/handle/123456789/1023" rel="alternate"/>
<author>
<name>Khatun, Nadira</name>
</author>
<id>http://rulrepository.ru.ac.bd/handle/123456789/1023</id>
<updated>2023-08-03T04:38:23Z</updated>
<published>2020-03-01T00:00:00Z</published>
<summary type="text">Intellectual Activties in Spain and Egypt under the Muslim Rule, 711-1517 A.D.
Khatun, Nadira
মধ্যযুগীয় ইউরোপের বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসে স্পেন একটি গে․রবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সূচনা করে।১ মুসলমানদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সৃজনশীল সাহিত্যকর্মের ঐশ^র্যমÐিত কেন্দ্র ছিল মুসলিম স্পেন। একথা বলা যায় যে, আট শতক থেকে পনের শতক পর্যন্ত (৭১১ খ্রিস্টাব্দ-১৪৯২ খ্রিস্টাব্দ) আরবিভাষী লোকেরাই পৃথিবীব্যাপী সং¯‥ৃতি ও সভ্যতার মশালবাহী ছিল (ইবধৎবৎং ড়ভ ঃড়ৎপয ড়ভ পঁষঃঁৎব ধহফ পরারষরুধঃরড়হ)।২ তমসাচ্ছনড়ব ইউরোপে স্পেনই ছিল জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিক্ষাদীক্ষা, শিল্প-সাহিত্য ও সং¯‥ৃতির আলোকবর্তিকা। দীর্ঘ সাতশত বছর ধরে স্পেন মুসলিম শাসনাধীনে ছিল। বুদ্ধিবৃত্তিক বিজ্ঞান, সুকুমার শিল্প ও সাহিত্যের অগ্রগতিতে মুসলিম শাসকদের অবদান অপরিসীম। তাঁরা পর্যবেক্ষণের এমন সকল নতুন পদ্ধতি প্রবর্তন করেন যা ইউরোপের উনড়বততর ক্সবজ্ঞানিক অগ্রগতির পথ সুগম করেছিল। মধ্যযুগে স্পেনের মুসলিম মনীষীগণ বুদ্ধিবৃত্তিক ও সৃজনশীল যে সাহিত্য সৃষ্টি করেছেন তা পাশ্চাত্যকে জ্ঞান গরিমায় উদ্ভাসিত করে তুলেছিল। ইউরোপে পরবর্তীতে রেনেসাঁর সূত্রপাত করতে এর গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা ছিল। &#13;
মুসলিম স্পেন যখন জ্ঞান বিজ্ঞান, শিল্প-সভ্যতা ও সং¯‥ৃতি চর্চায় নিয়োজিত তখন ইউরোপ সীমাহীন অজ্ঞতা ও বর্বরতায় নিমগড়ব। ঔ.ড. উৎধঢ়বৎ বলেছেন, “ইউরোপীয়রা তখন বর্বর বন্য অবস্থা ছাড়িয়ে উঠেনি বলা চলে। তাদের দেহ অপরিচ্ছনড়ব, হৃদয় তিমিরাচ্ছনড়ব ছিল। হীন ধর্ম তত্ত¡ মর্যাদাশূন্য উচ্চাকাক্সক্ষী পাদ্রীরা ক্ষমতার জন্য বিবাদে মত্ত ছিল। অধিবাসীরা পর্ণ কুটিরে বাস করত। মেঝে নল খাগড়ায় ঢেকে দেওয়ালে খড়ের মাদুর টাঙ্গিয়ে রাখতে পারলেই ঐশ^র্যের চিহ্ন বলে বিবেচিত হত। সিম, কালাই, বৃক্ষমূল এমনকি ছাল খেয়ে অতি কষ্টে তারা জীবন ধারণ করত। অপরি®‥ৃত বা বড়জোর পরি®‥ৃত চামড়া দিয়ে তারা পোশাক ক্সতরি করত। এর উপর একখানা গো-যান থাকলেই রাজার আড়ম্বর পর্যাপ্ত পরিমাণে ও সন্তোষজনক রূপে প্রকাশ পেত। অন্তত দু’জোড়া গরুতে এই গাড়ি টানত। দ্রæতগামী ভ‚মিদাসেরা খড়ের আঁটিতে পা জড়িয়ে আঙ্গুল লাগিয়ে তাদের গতি বৃদ্ধি করত। সনড়ব্যাসী ও সনড়ব্যাসিনীদের মিথ্যা দেহাবশেষে অলে․কিক ক্ষমতা সম্বন্ধে সর্বপ্রকার কাল্পনিক গল্পে লোকদের প্রগাঢ় বিশ^াস ছিল।”৩ &#13;
ইউরোপীয় ঐতিহাসিকগণের মতে, মধ্যযুগীয় ইউরোপের বর্বরতা, পশ্চাদপদতা, বুদ্ধিবৃত্তির স্থবিরতা এমনভাবে গ্রাস করেছিল যে, তা বর্ণনাতীত। মুসলিম স্পেনে ইসলাম প্রচার ও মুসলিম সভ্যতার বিকাশের প্রাক্কালে সমগ্র ইউরোপে শিক্ষা-দীক্ষা ও জ্ঞান চর্চার যে করুণ অবস্থা ছিল তা উল্লেখ করে ২ &#13;
জ‣নক ঐতিহাসিক বলেন, “তদানীন্তন অসভ্যতা ও মূর্খতার লীলাক্ষেত্র ইউরোপ তখন বিভিনড়ব মতাবলম্বীগণের মতবিরোধ নিয়েই পরস্পর মারামারি-কাটাকাটি করে মরছিল। সাহিত্যাদি ও গণিত শাস্ত্রের সমাদর তো দূরের কথা জ্ঞান-চর্চা মাত্র তৎকালে রাজদ্রোহিতামূলক ইন্দ্রজাল বলে পরিগণিত হত। এমনকি জ্ঞান অন্বেষণে রত লোকদেরকে গুরুতর অপরাধে অপরাধী বলে গণ্য করা হত। প্রাচীন গ্রিক রাজাগণ কর্তৃক সংস্থাপিত পাঠাগারগুলো ভস্মীভূত ও বিলুপ্ত হবার সাথে সাথে শিক্ষা ও জ্ঞানের নির্মল জ্যোতি ইউরোপ থেকে সম্পর্ণূভাবে তিরোহিত হয়েছিল।”&#13;
তৎকালীন সময়ে ইউরোপে জ্ঞানের প্রচন্ড দুর্ভিক্ষ চলছিল। “তৎকালে বহু শতক পর্যন্ত ইউরোপে অধ্যয়নের উপযুক্ত কোন গ্রন্থাদি রচিত হয়নি। শাসক শক্তির দুর্বিষহ নির্যাতন ও অত্যাচার হতভাগ্য শিক্ষিত সম্প্রদায়ের উপর প্রয়োগ করা হত। পৃথিবীর গোলত্তে কেউ আস্থা স্থাপন করলে তাকে ভীষণ অপরাধে অপরাধী বলে কঠিন শাস্তি দেওয়া হত। যে জ্ঞান পিপাসা মেটাতে গিয়ে আলেকজান্দ্রিয়ার ধর্মযাজকদের হাতে মহামতি হাইপেশিয়ার (ঐুঢ়ধঃরধ) পবিত্র দেহ শত সহস্র খÐে বিখÐিত হয়েছিল। অনুরূপ জ্ঞান পিপাসার অপরাধে অপরাধী গ্যালিলিওকেও রোমের ধর্ম যাজকদের আদেশে নিগৃহীত ও কারাবরণ করতে হয়েছিল। প্রচলিত মতবাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অভিনব মতামত প্রকাশিত করলেই তার ধন, মান ও জীবন নিরাপদ থাকত না। ফলে ইউরোপে বহু শতক ব্যাপী প্রতিভাশালী আইনজ্ঞ, সূ²দর্শী দার্শনিক ও সুচারুসম্পনড়ব কবির আবির্ভাব হয়নি।”&#13;
প্রাচীন আরবের তমসাচ্ছনড়ব যুগের মত মধ্যযুগীয় ইউরোপে যে অন্ধকারাচ্ছনড়ব যুগ বিরাজ করত তার চিত্র অত্যন্ত ভয়াবহ। জ‣নক খ্রিস্টান ঐতিহাসিক নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিতে বলেছেন, “স্বনামধন্য পোপ গ্রেগরী দি গ্রেট রোমক রাজ্য থেকে যাবতীয় পÐিতদেরকে নির্বাসিত করেছিলেন। মহামতি অগাস্টাস সীজারের চেষ্টার ফলে যে দার্শনিক পুস্তকাগার স্থাপিত হয়েছিল তিনি সেই সুবিশাল লাইব্রেরীর দাহμিয়া মহাসমারোহে সুসম্পনড়ব করে ‘মূর্খতাই ধর্ম নিষ্টার প্রসূতি’- এরূপ প্রবাদ তৎকালে প্রচলিত করেন। তার কুশাসনে সমগ্র রাজ্য প্রাচীন গ্রিক ও রোমকে গ্রন্থাদি পাঠ সর্বতোভাবে নিষিদ্ধ হয়ে যায়। তৎকালীন ধর্মান্ধ খ্রিস্টানগণ দর্শন, বিজ্ঞান ও সাহিত্যাদি ললিত শাস্ত্রের উপর তীব্র অভিসম্পাত করে পুণ্য সঞ্চয়ের প্রচেষ্টা করতেন।”৬ প্রখ্যাত দার্শনিক ও ঐতিহাসিক লেকি বলেন, “স্বাধীন চিন্তার অগ্রদূত মুসলিমগণই আট শতকে ইউরোপীয় শিক্ষার রুদ্ধ-দ্বার উন্মোচন করেন এবং তথায় μমে μমে উচ্চ শিক্ষার পথও সুগম করেন। প্রকৃত পক্ষে মুসলিমদের স্পেন অধিকারের পূর্বে জ্ঞান বিজ্ঞান নির্জীব অবস্থায় ও শঙ্কিতভাবে সমগ্র ইউরোপ থেকে বিদায় নিয়েছিল। ধর্ম যাজকদের মধ্যে সামান্য যেটুকু জ্ঞান চর্চার প্রচলন ছিল তাও ৩ &#13;
আবার কেবলমাত্র কুসং¯‥ার বৃদ্ধির মানসে ব্যবহৃত হত। এভাবে মধ্যযুগে জ্ঞান চর্চার প্রথা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হলে অজ্ঞানতার গহীন অন্ধকারে সকল ইউরোপ আচ্ছনড়ব হয়ে পড়ে।”৭
This Thesis is Submitted to the Department of Islamic History and Culture, University of Rajshahi, Rajshahi, Bangladesh for The Degree of Master of Philosophy (MPhil)
</summary>
<dc:date>2020-03-01T00:00:00Z</dc:date>
</entry>
<entry>
<title>Progression of Traditional and Modern Educational Institutions in Faridpur District, 1947-1984 AD.</title>
<link href="http://rulrepository.ru.ac.bd/handle/123456789/1019" rel="alternate"/>
<author>
<name>Hossain, Md. Jahangir</name>
</author>
<id>http://rulrepository.ru.ac.bd/handle/123456789/1019</id>
<updated>2023-07-13T04:18:29Z</updated>
<published>2003-07-01T00:00:00Z</published>
<summary type="text">Progression of Traditional and Modern Educational Institutions in Faridpur District, 1947-1984 AD.
Hossain, Md. Jahangir
প্রাচীন ঐতিহ্যের অধিকারী বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ এক রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাস্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হলে বাঙালী মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল পূর্ববাংলা নামে অবিহিত হয়ে পাকিস্তানের অন্তর্ভূক্ত হয়। এ সমই প্রকৃতপক্ষে বর্তমান বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমা নির্ধারিহয়। ফরিদপুর অঞ্চলটি বাংলার একটি প্রাচীনতম জনপদ। এ জনপদের নাম বঙ্গ। ……….&#13;
বাংলার অন্যান্য স্থানের মত ফরিদপুর জেলাতে অতীতের শিক্ষা পদ্ধতি ছিল মূলত পরিবার কেন্দ্রীক। এছাড়া স্থানীয়ভাবে বিভীন্ন স্থানে পাঠশালার গুরুগৃহে শিক্ষা দেওয়া হতো। শিক্ষককে গুরু ও ওস্তাদজী নামে সম্বোধন করা হতো। অনেক স্থানে গুরুজন শিক্ষার কাজে জায়গীর থাকতেন। অনেক সময় শাসকদের আনুকূল্যে কিংবা ব্যাক্তিগত উদ্যোগে গড়ে উঠেছিল। ঐ সময়ের কোন নির্দিষ্ট পাঠ্য বিষয় ছিল না। মূলত ফরিদপুর জেলার সনাতন শিক্ষার প্রধান প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল টোল, খানকা, মক্তব, মাজার, মাদরাসা, মাজার, মসজিদ।
This Thesis is Submitted to the Department of Islamic History and Culture, University of Rajshahi, Rajshahi, Bangladesh for The Degree of Master of Philosophy (MPhil)
</summary>
<dc:date>2003-07-01T00:00:00Z</dc:date>
</entry>
<entry>
<title>Social and Cultural Organization of  Gazipur District (1971-2000 AD)</title>
<link href="http://rulrepository.ru.ac.bd/handle/123456789/1016" rel="alternate"/>
<author>
<name>Hasan, Abu Imam Mahmudul</name>
</author>
<id>http://rulrepository.ru.ac.bd/handle/123456789/1016</id>
<updated>2023-07-12T04:54:37Z</updated>
<published>2006-09-01T00:00:00Z</published>
<summary type="text">Social and Cultural Organization of  Gazipur District (1971-2000 AD)
Hasan, Abu Imam Mahmudul
ইতিহাস একটি দেশ ও জাতির পরিচয় তুলে ধরে। ইতিহাস সচেতনতা মানুষের মধ্যে গতিময়তা সৃস্টি করে এবং তার ফলেই যে দেশ ও জাতির জন্য মহৎ কোন কর্মের নিদর্শন রেখে যেতে তৎপর হয়ে উঠে। একজন ব্যক্তির জন্য যা প্রযোজ্য সমাজ ও জাতির জন্য তা প্রযোজ্য। যে জাতি ইতিহাস সচেতন নয়, কিংবা ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে না সে জাতি ভবিষ্যৎ চলার পথকে কন্টকযুক্ত করার প্রয়াস পায়না। বর্তমানে অনাগ্রসরতাকে কাটিয়ে উঠে অগ্রসরতার সোপানে উঠার প্রতিযোগিতা চলছে সর্বত্র এরই প্রয়োজনী প্রত্যেক জাতি ও জনগোষ্ঠী গভীরভাবে অনুসন্ধান করছে তার ইতিহাস ও ঐতিহ্যে। একারনে পূর্বের লালিত ইতিহাসের ধারনার পরিবর্তন ঘটছে।............
This Thesis is Submitted to the Department of Islamic History and Culture, University of Rajshahi, Rajshahi, Bangladesh for The Degree of Master of Philosophy (MPhil)
</summary>
<dc:date>2006-09-01T00:00:00Z</dc:date>
</entry>
</feed>
